নতুন পোস্ট

জেলজীবনে বঙ্গবন্ধুর হাতে রান্না খিচুড়ি ফলি মাছের কোপতা

জেলজীবনে বঙ্গবন্ধুর হাতে রান্না খিচুড়ি ফলি মাছের কোপতা

ইমরুল ইউসুফ

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাভোগ করেন। এর মধ্যে ব্রিটিশ আমলে তিনি যখন স্কুলছাত্র তখন কারাভোগ করেন ৭ দিন। বাকি ৪ হাজার ৬৭৫ দিন কারাভোগ করেছেন পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসন আমলে। যা বছরের হিসাবে প্রায় ১৩ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে বঙ্গবন্ধু জেলে বসে নানা ধরনের কাজ করেছেন। অবসর সময়ে বই, পত্রপত্রিকা পড়ার পাশাপাশি মুরগি পালন করেছেন। কবুতরের বাচ্চা ফুটিয়েছেন। বন্দি সেলের বাইরের আঙিনায় ফুলের বাগান করেছেন। বাগান পরিচর্যা করেছেন। এমন কি রান্নাবান্নাও করেছেন।

এসব কাজের পাশাপাশি তিনি জেলখানার কর্মচারী হোক বা সশ্রম কারাদ- প্রাপ্ত আসামিই হোক তাদের সঙ্গে পিতৃত্বসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তাঁর পরিবার থেকে দেয়া উন্নতমানের খাবার অন্যদের খাইয়েছেন। তাঁর সেলে রান্নার বরাদ্দ বাঁচিয়ে অন্যান্য বন্দিদের খিচুড়ি রান্না করে খাইয়েছেন। চা-নাস্তা খাইয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা কারাগারের রোজনামচা বই থেকে বঙ্গবন্ধুর এমন অনেক অজানা বিষয় আরো নিবিড়ভাবে জানার সুযোগ পেয়েছি আমরা।

কারাগারের রোজনামচা বইয়ের এক জায়গায় বঙ্গবন্ধু লিখেছেন- “কি বিপদেই না পড়েছি! বাবুর্চি বেচারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে, পাক করবে কে? নতুন একজন আনলে আবারও আমার কয়েকদিন না খেয়ে থাকতে হবে। আমার তো তেমন কোনো ধারণাও নাই, তবুও বাবুর্চিকে নিয়ে একটা পাক প্রণালী আবিষ্কার করেছি। মেট বলল, একটা মুরগি এনেছিলাম, ডিম দিয়েছে। খুব খুশি জেলখানায় আবার মুরগিতে ডিম দেয়? বললাম, খুব ভাল, রেখে দেও, মুরগিকে বাচ্চা দেওয়াব। ডিম কিন্তু খাওয়া চলবে না।

২৬ সেলে সিকিউরিটি বন্দিরা থাকেন। ১৯৫৮ সালে গ্রেপ্তার হয়ে এখনও আছেন। সরকার ছাড়বার নাম নিচ্ছেন না। তারাও জানেন না কি করে মাথা নত করতে হয়। অনেকেই আছেন যারা ইংরেজ আমলেও দুই চার বার জেল খেটেছেন।

সেই ২৬ সেল থেকে আমার জন্য কুমড়ার ডগা, ঝিংগা, কাকরোল পাঠিয়েছেন। তাঁদের বাগানে হয়েছে, আমাকে রেখে খায় কেমন করে! আমার কাছে পাঠাতে হলে পাঁচটি সেল অতিক্রম করে আসতে হয়, দূরও কম না। বোধ হয় বলে-কয়ে পাঠিয়েছেন। তাঁরা যে আমার কথা মনে করেন আর আমার কথা চিন্তা করেন, এতেই মনটা আনন্দে ভরে গেল। এঁরা ত্যাগী রাজবন্দি দেশের জন্য বহু কিছু ত্যাগ করছেন। জীবনের সবকিছু দিয়ে গেলেন এই নিষ্ঠুর কারাগারে। আমি তাঁদের সালাম পাঠালাম। তাঁরা জানেন, আমাকে একলা রেখেছে, খুবই কষ্ট হয়, তাই বোধ হয় তাঁদের এই সহানুভূতি।

আজ ফলি মাছ দিয়েছে। বাবুর্চি বলল, কোপতা করতে হবে। বাবুর্চি জানে না, কেমন করে করতে হয়, আমিও জানি না। তবু করতে হবে। বললাম, বোধ হয় এইভাবে করতে হয়। বাবুর্চি ও আমি পরামর্শ করে মধ্যপন্থা অবলম্বন করলাম। সেইভাবেই করা হলো। যখন খেতে শুরু করলাম মনে হলো কোপতা তো হয় নাই, তবে একটা নতুন পদ হয়েছে। কি আর করা যায়, চুপ করে খেয়ে নিলাম। বললাম, ‘বাবারা, বাড়িতে যে রকম খাই তার ধারে কাছ দিয়েও যায় নাই। যাহা হউক খেয়ে ফেল, ফলি মাছ তো!’ মনে মনে হাসলাম, পাস করা বাবুর্চি আমি! ভাগ্য ভাল, বাইরের লোক ছিল না, থাকলে কোপতা আমার মাথায় ঢালতো। এই সময়ই মনে হলো একলা হয়ে সুবিধাই হয়েছে।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৩১-৩২)।
ফলি মাছের কোপতার পর বঙ্গবন্ধু একদিন কলিজা রান্না করতে বসলেন। বইটিতে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমি বাবুর্চিগিরি করেছি। কলিজা দিয়েছিল, পাকাতে হবে। আমি ও বাবুর্চি দুইজনই প্রায় সমান। ‘কেহ কারে নাহি পারে সমানে সমান।’ তবু ধারণা করে নিয়ে পাকালাম, মনে হলো মন্দ হয় নাই। খাইলাম কিছুটা।” (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৬৭)।

বঙ্গবন্ধুকে কারাগারের যে সেলে রাখা হয়েছিল সেই সেলের কাছেই ছিল পাগলা গারদ। কেউ জেলে থাকতে থাকতে পাগল হয়ে গেছে। কেউ বা পাগল বলে পরিবারের লোকজন জেলে দিয়ে গেছে। রাতে প্রায়ই পাগলরা চিৎকার জুড়ে দিত। যার ফলে বঙ্গবন্ধু ঘুমাতে পারতেন না। এজন্য শেখ মুজিব বেগম মুজিবকে বলেছিলেন, ‘যদি কোনো দিন পাগল হয়ে যাই, তবে পাগলা গারদে বা জেলের পাগলখানায় আমাকে দিয়ো না।’

যাই হোক, বঙ্গবন্ধু এই পাগলদেরও ভালোবাসতেন। তাদের সঙ্গে গল্প করতেন। রান্না করে খাওয়াতেন। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘৪০ সেলের পাগলা গারদের পাগল ভাইদের জন্য নিজেই মুরগি পাক করে পাঠাইয়া দিলাম। আমি না খেয়ে জমাইয়া ছিলাম। আমার যাওয়ার হুকুম নাই ওদের কাছে-যদিও খুবই কাছে আমি থাকি। জমাদার সাহেবকে ডেকে বললাম, আপনি দাঁড়াইয়া থেকে ওদের মধ্যে ভাগ করে দিবেন। তিনি তাই করলেন। ওরা যে আমার বহুদিনের সাথী, ওদের কি আমি ভুলতে পারি? ভুলতে চেষ্টা করলেও সন্ধ্যার পরে ওরা আমাকে মনে করাইয়া দেয়-যখন ওরা আপন মনে চিৎকার করে আবার কেউ অদ্ভুত স্বরে গানও গায়। (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ২০৪)।

বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে ছিলেন তখন তাঁর আশপাশের সেলে আরও অনেক রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রনেতা এমনকি সাধারণ ছাত্র বন্দি ছিলেন। তাঁদের সঙ্গেও বঙ্গবন্ধু বন্ধুর মতো আচরণ করতেন। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। তাদের আবদার বা দাবি পূরণের চেষ্টা করতেন। একবার তো বন্দি ছাত্রদের আবদার রাখতে বঙ্গবন্ধুকে খিচুড়ি রান্না করতে হয়েছিল। বইটিতে তিনি লিখেছেন ‘সকালে ১০টা-১১টা পর্যন্ত কাগজ অথবা বই পড়ি। ১২টার সময় দেখি রেণু কয়েক সের চাউল, কিছু ডাউল, তেল, ঘি, তরকারি, চা, চিনি, লবণ, পিঁয়াজ ও মরিচ ইত্যাদি পাঠাইয়াছে। আশ্চর্য হয়ে গেলাম। ডিভিশন ‘ক’ কয়েদিরা বাড়ির থেকে এসব আনতে পারে ডিআইজি প্রিজনের অনুমতি নিয়ে। অনুমতি নিয়েই পাঠাইয়াছে দেখলাম। ভালই হয়েছে। কিছুদিন ধরে পুরানা বিশ সেলে যে কয়েকজন ছাত্র বন্দি আছে তারা খিচুড়ি খেতে চায়। বহুদিন আমাকে বলেছে কিন্তু কুলাতে পারব না বলে নড়াচড়া করি না। কিছু কিছু বাঁচাইয়াছি, কয়েকটি মুরগি, কিছু ডিমও জোগাড় করেছি। নূরুল ইসলাম, নূরে আলম সিদ্দিকী ও আরও কয়েকজন মিলে ‘খিচুড়ি সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করেছে। খিচুড়ি আদায় করতেই হবে। আমার পাকের ঘরের কাছে একটা কাঁঠাল গাছ আছে, সেখানে খবরের কাগজে কালি দিয়ে লিখে কাঁঠাল গাছে টানাইয়া রেখেছে কোনো কয়েদিকে দিয়ে। তাতে লেখা আছে ‘আমাদের দাবি মানতে হবে, খিচুড়ি দিতে হবে।’ নীচে লেখা ‘খিচুড়ি সংগ্রাম পরিষদ’। আমি তো নূরুল ইসলামের হাতের লেখা চিনি। বাইরে ও পোস্টার লিখতো। তারই হাতে লেখা। আমি তাদের ডেকে বললাম, এসব দাবি টাবি চলবে না। দরকার হলে জনাব মোনেম খানের পন্থা অবলম্বন করব। খুব হাসাহাসি চললো। মাঝে দুই একজনে দুই একবার শ্লোগানও দিয়েছে-‘খিচুড়ি দিতে হবে।’
আজ সুযোগ হয়ে গেল। মালপত্র পাওয়া গেল। বিকালে তাদের বললাম ‘যাহা হউক তোমাদের ভাবির দৌলতে তোমাদের খিচুড়ি মঞ্জুর করা গেল। আগামীকাল খিচুড়ি হবে।’
যথারীতি রবিবার সকাল থেকে খিচুড়ি পাকের জোগাড়ে আত্মনিয়োগ করা হলো। রেণু কিছু ডিমও পাঠাইয়াছে। কয়েকদিন না খেয়ে কয়েকটা ছোট ছোট মুরগির বাচ্চাও জোগাড় করা হয়েছে। আমি তো জেলখানার বাবুর্চি, আন্দাজ করে বললাম কি করে পাকাতে হবে এবং আমার কয়েদি বাবুর্চিকে দেখাইয়া দিলাম। পানি একটু বেশি হওয়ার জন্য একদম দলা দলা হয়ে গেছে। কিছু ঘি দিয়ে খাওয়ার মত কোনোমতে করা গেল। পুরানা বিশ সেলে আট জন ডিপিআর, তাদের ফালতু, পাহারা, মেট চারজন করে দেওয়া হলো। আমার আশে পাশেও ৮/১০ জন আছে সকলকেই কিছু কিছু দেওয়া হলো। ডিম ভাজা, ঘি ও অল্প অল্প মুরগির গোস্তও দেওয়া হলো। গোসল করে যখন খেতে বসলাম তখন মনে হলো খিচুড়ি তো হয় নাই তবে একে ডাউল চাউলের ঘণ্ট বলা যেতে পারে। উপায় নাই খেতেই হবে। কারণ আমিই তো এর বাবুর্চি। শাহ মোয়াজ্জেম, নূরে আলম, নূরুল ইসলাম বলল, ‘মন্দ হয় নাই।’ একটু হেসে বললাম, ‘যাক আর আমার মন রাখতে হবে না। আমিই তো খেয়েছি।’ যাহা হউক খিচুড়ি সংগ্রাম পরিষদের দাবি আদায় হলো, আমিও বাঁচলাম।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ২৩৪-৩৫)।

এতো গেলো কারাগারে রান্না করে খাওয়ানোর গল্প। জেল জীবনে বঙ্গবন্ধু চা নাস্তার ব্যাপারেও ছিলেন খুবই উদার। সবাইকে তিনি ডেকে ডেকে চা কিংবা মুড়ি খাওয়াতেন। চায়ের বিষয়ে তিনি একজায়গায় লিখেছেন ‘চা বানাতে বললাম। আজ যাকে পাওয়া যাবে তাকেই চা খাওয়াতে বললাম। সাধারণ কয়েদিরা একটু চায়ের জন্য কত ব্যস্ত। তাই আমি বলে দিয়েছি যে-ই চা খেতে চাইবে তাকেই দিবা। আমার মেটটা একটু কৃপণ, সহজে কিছু দিতে চায় না। যদি আমার কম পড়ে যায়, বাইরে থেকে আসতে দেরি হলে অসুবিধা হবে। তাকে বলে দিয়েছি, কম পড়ে পড়–ক, আনতে দেরি হয় হউক, চাইলে দিতে হবে। কিইবা আমি দিতে পারি, এই নিষ্ঠুর কারাগারে!’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১১৮)।

মুড়ি খাওয়ার বিষয়ে বইয়ের এক জায়গায় বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘জমাদার ও সিপাহি সাহেবরা মুড়ি খেতে চায়। মুড়ি জেলখানার কয়েদিরা চোখেও দেখে না। মেটকে বললাম, মুড়ি-কাঁচা মরিচ ও পিঁয়াজ দিয়ে তৈয়ার কর। পূর্বেই আমি দেখাইয়া দিয়েছি কী করে তৈয়ার করতে হয়। নিজেও জানি কিছুটা। সাধারণ কয়েদিরা যারা আমার এখানে কাজ করে তাদের জন্যও বানাও। পাশের সেলে যে কয়জন জেল হতে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আছে তাদেরও দিতে হবে।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৪৬)।

মুড়ি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বইয়ের আরেক জায়গায় লিখেছেন ‘মুড়ি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে কারাগারে। কাঁচা মরিচ, পিঁয়াজ, আদা আর সরিষার তৈল দিয়ে একবার মাখালে যে কি মজা হয় তাহা আমি তো প্রকাশ করতে পারি না। আমার না খেলে চলে না। সিপাহি জমাদার সাহেবরা যাদের ডিউটি পড়ে তারা মেটকে বলে চুপি চুপি মুড়ি খেয়ে নেয়। যদি বড় সাহেবরা দেখে! আমি দেখেও দেখি না, কারণ মেটকে বলে দিয়েছি মুড়ি চাইলে ‘না’ বলবা না।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৬৫)।

ব্যক্তিগত জীবনে বঙ্গবন্ধু অন্যান্য বিষয়ের মতো খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারেও ছিলেন ভীষণ উদার। নিজে না খেয়ে অন্যকে খাওয়াতেন। খাবার পরিমাণে কম হলেও ভাগ করে খেতেন। তিনি লিখেছেন ‘রেণু কিছু খাবার দিয়ে গেছে-কি করে একলা খেতে পারি? কই মাছ খেতে আমি ভালোবাসতাম, তাই ভেজে দিয়েছে। কয়েকটা মাছ পাকিয়ে দিয়েছে, মুরগির রোস্ট, এগুলি খাবে কে? কিছু কিছু খেয়ে বিলিয়ে দিলাম কয়েদিদের মধ্যে। তারা কত খুশি এই জিনিস খেয়ে! কেহ বলে, সাত বৎসর, কেহ বা পাঁচ বৎসর, কেহ বা তিন বৎসর এই জেলে একঘেয়ে খাওয়া খেয়ে বেঁচে আছে। যখন মিঠা কুমড়া শুরু হয় কয়েক মাস মিঠা কুমড়াই চলে, আবার যখন ক্ষেতে ডাঁটা জন্মায় আবার শুরু হয়ে কিছুদিন চলে, আবার কিছুদিন পুঁইশাক। ডাল তো আছেই। আমার এক ছাফাইয়া ছিল একটু রসিক, সাত বৎসর জেল হয়েছে, প্রায় পাঁচ বৎসর খেটেছে বলে খালাসের সময় হয়ে এসেছে। বলে, এই রকম মজার খাবার পেলে আর কিছুদিন জেলে থাকতে রাজি আছি। মেট বলে, ‘পেটে ডালের চর পড়ে গিয়াছিল। বিশ বৎসর সাজা, সাত বৎসর খেটেছি এখন আর ডাল খেতে হয় না।’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৮৯)।

কারাবন্দি থেকেও বঙ্গবন্ধুর এমন উদ্যোগ, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা, সহযোগিতা আমাদের মুগ্ধ করে। আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়। উদ্যমী হতে শেখায়। মহৎহৃদয়ের মানুষ হতে শেখায়।

 

ইমরুল ইউসুফ : সহ-পরিচালক, বাংলা একাডেমি, ঢাকা

 

About S M Tuhin

দেখে আসুন

ছড়া’ S : আহমেদ সাব্বির

ভোরের কাছে লুকিয়ে রাখি ছোট্ট আমি অবুঝ কিশোর সবুজ আমার মন নীল আকাশে মেঘের দেশে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *